ভালবাসা তুমি

ভালবাসা তুমি
লাইলী-মজনু, শিরী-ফরহাদ আর সেলিম-নূরজাহান।
ভালবাসা তুমি
আগ্রার তাজমহল, মমতাজের তরে গড়েছিল যারে সম্রাট শাহজাহান।




ভালবাসা তুমি
পিতামাতার অকৃত্রিম স্নেহ- যা পেলে জুড়ায় দেহ;
এমন প্রেম দেবে নাতো কেহ।

ভালবাসা তুমি
সত্যিকারের বন্ধুত্ব, আর সে টান যার নাম ভ্রাতৃত্ব।

ভালবাসা তুমি
বোনের নরম তুলতুলে গালে আদরের চুমি
হাতে গুঁজে দেয়া চকোলেট-মিমি।

ভালবাসা তুমি
বিনিদ্র রজনী, কারন সেই স্বপ্নের রাজকুমারী।
ভালবাসা তুমি
একটু অভিমান - বলবো না কথা, তোমার সাথে আরি।

ভালবাসা তুমি
প্রেয়সীর ঠোঁটে প্রগাঢ় চুম্বন;
ভয়হীন তবু, দেখলে দেখুক না লোকজন।

ভালবাসা তুমি
উসকো-খুসকো চুল, খোঁচা খোঁচা দাঁড়িওয়ালা লোকটির কাছে
বাদামের খোসা আর মরীচিকা।
আবার নীল শাড়ী পরা অপরূপাটির কাছে
প্রেমিকের সাথে বসে সূর্যাস্ত দেখা।

ভালবাসা তুমি
যৌবনের গান – দুটি দেহ কিন্তু এক মন এক প্রান;
ভেঙ্গে গেলেই শ্মশান।

ভালবাসা তুমি
চাইনিজে বসা আর অযথা টাকা খসা।
ভালবাসা তুমি
কিন্তু ভয়াবহ – অনেকটা এডিস মশা।

ভালবাসা তুমি
নির্ঘুম রাত – ঠোঁটে রেখে ঠোঁট, হাতে রেখে হাত
শারীরিক সংঘাত।

ভালবাসা তুমি
হৃদয়ের জ্যামিতি, স্বপ্নের ত্রিকোনমিতি
মানব মানবীর চিরকালীন লোকগীতি-
দেবদাস আর পার্বতী।

ভালবাসা তুমি
জোড়ায় জোড়ায় কপোত-কপোতী
এখানেই আমার কবিতার ইতি।

[কবি শামসুর রাহমানের “স্বাধীনতা তুমি” কবিতা অনুকরনে যখন এটা লিখি তখন আমি এস এস সি দিয়েছি মাত্র।]

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন