মাইয়া পড়ে V.N.C তে, পোলায় নটরডেমে –
হঠাৎ করেই পরলো তারা দুজন দুজনার প্রেমে।
পরিচয় হয় নটরডেমেই, কোন এক ক্লাব প্রোগ্রামে –
সুন্দরী মেয়ে দেখে ছেলেটি আলাপ করে নেয় চামে।
মেয়েটির পিছনে ঘুরে ঘুরে গোল্লায় যায় ছেলেটির কুইজ,
ঘন্টার পর ঘন্টা চলে কথা, নো টেনশন আছে ডিজুইস।
এ যুগের মেয়েদের (বিশেষ করে V.N.C দের) নেই কোন বিশ্বাস;
বলা নেই কওয়া নেই, হঠাৎ করেই দিয়ে দেবে একটা বাঁশ।
তখন কী হবে – এই ভেবে ছেলেটি ঠিক করে রাখে কিছু Backup
মেয়েটির অভাব না হয় এদের দিয়েই করবে Makeup।
ছেলেটির বন্ধুরাও (মানে আমরা) কম যায় না, ধরে নানা বায়না –
“দোস্ত, তোর আজকের ডেটিংটায় আমরা গেলে হয় না ?”
আজ আমেরিকান বার্গার, কাল হেলভেশিয়া – ছেলেটি পুরাই ধরা
তবু গার্লফ্রেন্ডকে একটু কাছে পেতে যেতেই হয় স্টার সিনেপ্লেক্স বসুন্ধরা
সুন্দরী মেয়েটিকে পাড়ার বড় ভাইয়েরা দেয় পাহারা –
অন্যপাড়ার ছেলে তার পিছনে ঘুর ঘুর করলে পালটে দেয় চেহারা।
হঠাৎ একদিন স্বপ্নপুরী থেকে আসে মেয়েটির খালাতো ভাই,
সুন্দরী মেয়েটিকে দেখে বলে, “চলো তোমায় ম্যারিকা নিয়ে যাই”।
মেয়েটির খোঁজে ওদের পাড়ায় গিয়ে ছেলেটি খায় একদিন রামধোলাই –
জ্ঞান ফেরার পর দেখে সামনের দিকের দুটো দাঁত নাই !
দাঁতের শোঁকে চুল ছিড়ে বলে – “হতচ্ছাড়া প্রেম তোমাকে Goodbye ”।
[কলেজ লাইফে লেখা]

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন